
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব ও বন্দরনগরী হাইফায় সোমবার আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে ঘরবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হামলার আঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসেও কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। দূতাবাসটি আপাতত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং সেখানকার প্রায় সাত লাখ মার্কিন নাগরিককে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “আমাদের কোনো ঘাঁটি বা স্বার্থে হামলা হলে, ওয়াশিংটন শক্ত প্রতিশোধ নেবে।” অন্যদিকে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনোভাবেই পিছু হটবে না। বরং তারা মধ্যপ্রাচ্যে একটি ‘ইসলামী সেনাবাহিনী’ গঠন করে প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
ইরানের এক শীর্ষ নেতা মহসেন রেজাই জানিয়েছেন, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ককে সাথে নিয়ে এই সেনাবাহিনী গঠন করা হবে।
এদিকে, ইসরায়েলের চালানো সর্বশেষ বিমান হামলায় ইরানে ২২৪ জন নিহত এবং দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে বলে দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এই সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করতে পারে, যা গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে ফেলতে পারে।



