
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযান আরও চার সপ্তাহ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। রোববার (১ মার্চ) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “ইরান একটি বড় দেশ। সে কারণে অভিযান কিছুটা দীর্ঘায়িত হতে পারে। তবে তারা যতই শক্তিশালী হোক, চার সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে না।” একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, এই অভিযানে সৌদি আরবও যুক্ত থাকতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেয়নি সৌদি আরব।
প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও সামরিক সক্ষমতার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকায় তারা দ্রুত ও নির্ভুল হামলা চালাতে সক্ষম— এমন ধারণাও বিশ্লেষকদের মধ্যে রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান-এর জটিল সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামো, দীর্ঘদিনের মতাদর্শিক ভিত্তি এবং বিস্তৃত আঞ্চলিক প্রভাববলয় কেবল শীর্ষ নেতৃত্ব পরিবর্তনের মাধ্যমে সহজে বদলানো সম্ভব নয়।
প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত নীতিতে ইরান একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সেই সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে— সম্ভাব্য ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি হলে তা কে এবং কীভাবে পূরণ করবে। মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক বাস্তবতা অনেকাংশেই সেই উত্তরের ওপর নির্ভর করছে।




