ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ঢাকা ও চট্টগ্রামের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত চার দিনে ১৮২টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৪৭টি এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৩৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। শুধু গতকালই বাতিল হয়েছে ৩৮টি ফ্লাইট, তথ্য জানিয়েছেন বেবিচক ও বিমানবন্দর সূত্র।
মধ্যপ্রাচ্যের দাম্মাম, দোহা, দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও কুয়েতের দিকে বাংলাদেশি বিমান চলাচল আগামী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
ফ্লাইট বাতিলের ফলে প্রবাসীরা বিপাকে পড়েছেন। রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিদিনেই তারা তথ্য নেওয়ার জন্য ভিড় করছেন।
গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর ইরানও পাল্টা আক্রমণ চালায়। মিসাইল ও ড্রোন হামলায় ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালালে ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান ২৮ ফেব্রুয়ারি তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশের সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগও বিঘ্নিত হয়েছে। সৌদি আরব ও ওমান এক দিন পর আকাশপথ খুললেও, সৌদি আরবের দাম্মামে ড্রোন হামলার কারণে ফ্লাইট বন্ধ আছে।
বেবিচক ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা যথাক্রমে ২৩টি, ৪০টি, ৪৬টি এবং ৩৮টি।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম জানান, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই ছয়টি গন্তব্যে সমস্ত ফ্লাইট স্থগিত আছে। তিনি সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের নিকটস্থ বিমানের বিক্রয় কেন্দ্র বা ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন।




