বৃটেনে করোনাভাইরাস শুরুর পর চ্যান্সেলর ১২ মাসের জন্য সপ্তাহে ২০ পাউন্ডের মতো ইউনিভার্সেল ক্রেডিট বৃদ্ধি করেছিলেন। এর ফলে ২৫ বছরের উর্ধ্বের একজন আবেদনকারী সপ্তাহে ৩১৭.৮২ পাউন্ডের পরিবর্তে ৪০৯. ৮৯ পাউন্ড লাভ করতেন। এই বর্ধিত অর্থ আগামী এপ্রিলের পর বন্ধ হয়ে যাবে। চ্যান্সেলর তার বাজেট রিভিউতে আগামী এপ্রিলের পর এটি চালিয়ে যাবার কোন অঙ্গীকার করেননি।
ওয়ানবাংলা নিউজের এক সূত্রে জানা যায়, টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র জন বিগস ইউনিভার্সেল ক্রেডিট না কমানোর জন্য চ্যান্সেলরের কাছে আবারো অনুরুধ জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, এটি সত্যিকার অর্থেই অকল্পনীয় যে, মহামারীর সময় সরকার সপ্তাহে ২০ পাউন্ড বা বছরে ১০০০ পাউন্ড ইউনিভার্সেল ক্রেডিট কেটে নিচ্ছে। মেয়র বলেন, চারিদিকে প্রতিদিনই বেকারত্ব বাড়ছে। এমন একটি কঠিন সময়ে পরিবারগুলো যখন অনিশ্চয়তায় ভুগছে তখন এটা না কাটার জন্য চ্যান্সেলরের কাছে তাই আমার অনুরুধ রইলো।
জোসেফ রোয়ান্টি ফাউণ্ডেশনের গবেষণা মতে এই অতিরিক্ত অর্থ কেটে নিলে এদেশের প্রায় ৭শ হাজার মানুষ কষ্টের মধ্যে পড়বেন। যার মধ্যে ৩শ হাজার শিশু রয়েছে। এছাড়া এটি আরো ৫শ হাজার মানুষকে চরম দারিদ্রতার মধ্যে ফেলবে। এককথায় সরকারের এই সিদ্ধান্ত এদেশের মোট ১৬ মিলিয়ন মানুষের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে, যার মধ্যে ৬ মিলিয়ন শিশু রয়েছে।
ট্রাসেল ট্রাস্টের পরিসংখ্যান মতে ৪৭% পরিবার এই সামারে ফুড ব্যাংকে সার্ভে করেছে। মহামারী শুরুর আগে এই সংখ্যা ছিলো ৩৭%। চ্যান্সেলর তার বাজেট রিভিউতে ইউনিভার্সেল ক্রেডিটই শুধু নয় পুলিশ, ফায়ার ফাইটারসহ অন্যান্য মূল কর্মীদরে বেতন বৃদ্ধিও স্থগিত করেছেন। অথচ তারাই এই মহামারীর সময় সবচাইতে বেশী ভূমিকা রেখে চলেছে।
মেয়র আরো বলেন, ইউনিভার্সেল ক্রেডিট টাওয়ার হ্যামলেটসের অনেকের জীবন রক্ষাকারী একটি উপায়। অক্টোবর মাসের হিসাব মতে টাওয়ার হ্যামলেটসে মোট ৪১ হাজার ৪শ ১৭ জন ইউনিভার্সেল ক্রেডিট নিয়েছেন। এদের অনেকেই এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।





