রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
Sex Cams

সিলেটে মানব পাচার ট্রাইব্যুনালে প্রথমবার ডিজিটাল প্রযুক্তিতে সাক্ষ্যগ্রহণ



সিলেটে মানব পাচার ট্রাইব্যুনালে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অসুস্থ থাকায় আদালতে সরাসরি হাজির হতে পারেননি। ফলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

মঙ্গলবার এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, ‘তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০ (আইন নং ১১)’ এর ধারা ৫ অনুসারে প্রধান বিচারপতির প্রণীত ‘প্র্যাকটিস নির্দেশনা’ অনুযায়ী এই সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

অবসরপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হারুন মজুমদার অসুস্থ থাকায় ঢাকার ডেমরা থানায় উপস্থিত হয়ে থানার ওসির মাধ্যমে অনলাইনে সিলেট ট্রাইব্যুনালের সঙ্গে যুক্ত হন। রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী। আসামি পক্ষে ভিডিও কনফারেন্সে জেরা করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল খালিক। এ সময় জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের প্যানেল আইনজীবী ফকরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন এবং কারিগরি সহায়তা দেন চয়ন দাস।

আইনজীবীদের মতে, সিলেটে মানব পাচার ট্রাইব্যুনালে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ এই প্রথম। আদালতের ইতিহাসে এটিকে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০১২ সালের ২৪ আগস্ট রাতে শাহপরান থানায় দায়ের হওয়া মামলাটি থেকে এ প্রক্রিয়ার সূচনা। সে সময় পুলিশের একটি টিম ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তিন নারী ও এক শিশুকে উদ্ধার করে, যাদের আটকে রেখে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হচ্ছিল। মামলায় প্রথমে ছয়জনকে আসামি করা হলেও চার্জশিটে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

আসামিরা হলেন— মৌলভীবাজারের কামরুল ইসলাম, বরিশালের মামুন সিকদার ও তার স্ত্রী রিনা বেগম, বগুড়ার কুহিনুর বেগম এবং সুনামগঞ্জের রুনা বেগম। বর্তমানে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম চলছে।

শেয়ার করুন:

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

error: Content is protected !!