বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
Sex Cams

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের তপশিল ঘোষণা



ছবি সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তপশিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি গণমাধ্যমে এ ঘোষণা প্রচারিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি তপশিল প্রকাশ করেন।

ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে।

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখের বেশি। প্রবাসী বাংলাদেশিরাও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন। ইতোমধ্যে ৩ লাখের বেশি প্রবাসী ভোটার ভোটদানের জন্য নিবন্ধন করেছেন।

তপশিল ঘোষণার পর আইন না মানলে রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আখতার আহমেদ বলেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতাও প্রয়োজন। আশা করি তারা আমাদের সহায়তা করবে।’ তিনি আরও জানান, গাজীপুর ও বাগেরহাটের সীমানা সংক্রান্ত আদালতের আদেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে ৩০০ আসনেরই তপশিল ঘোষণা করা হবে।

দেশে পোস্টাল ব্যালটে ভোট নিয়ে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্তরা এবং আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এ জন্য নিবন্ধন অ্যাপ গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাবে, আর অ্যাপল প্ল্যাটফর্মে পরে যুক্ত হবে। তপশিল ঘোষণার পর থেকেই নিবন্ধন শুরু হবে। পোলিং অফিসারদের নিবন্ধন ১৬–১৭ ডিসেম্বর থেকে এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের নিবন্ধন ২১–২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

এর আগে, আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে সারা দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে জানানো হয়, তপশিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোটগ্রহণের দুদিন পর পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রতি উপজেলা ও থানায় কমপক্ষে দুইজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

শেয়ার করুন:

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

error: Content is protected !!