সিলেট ৩ আসনের (দক্ষিণ সুরমা ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত ) উপনির্বাচনে বালাগঞ্জ উপজেলায় দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্নভাবে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে উপজেলার মোট ৩৪টি ভোটকেন্দ্রে দু’একটি বিচ্ছিন ঘটনা ছাড়া প্রায় শান্তিপুর্ণ ভাবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
বালাগঞ্জ উপজেলার সবক’টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আওয়ামীলীগ মনোনীত হাবিবুর রহমান হাবিব (নৌকা) মোট ২৪হাজার ৪শ ৫৮ ভোট পেয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্ব›িদ্ধ জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান আতিক (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৩হাজার ২শ ভোট।
বিএনপি থেকে বহিস্কৃত ও সাবেক সংসদ শফি আহমেদ চৌধুরী ( মটর গাড়ী) পেয়েছেন ৭২টি ভোট এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের জুনায়েদ মোহাম্মদ মিয়া (ডাব) পেয়েছেন ৩২ টি ভোট।
জানাগেছে, এ নির্বাচনে মোট ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্ব›িদ্ধতা করছেন। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫২ হাজার।
নির্বাচন কালীন সময়ে সকল অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাগণের সমন্বয়ে ২ সদস্য বিশিষ্টি একটি ‘নির্বাচনী তদন্ত কমিটি’ গঠন করেছিল নির্বাচন কমিশন।
কমিটিতে সিলেটের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ তাসলিমা শারমিন ও সিনিয়র সহকারী জজ নির্জন কুমার মিত্র দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া আসনটির ভোট গ্রহন উপলক্ষে ৩ জন ম্যাজিস্ট্রেটও নিয়োগ দিয়ে ছিল ইসি।
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ছিল পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের ১৭ থেকে ১৮ জন সদস্য। আর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে নিয়োজিত ছিল ১৮ থেকে ১৯ জন সদস্য।
তারা সার্বক্ষণিক ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।
পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে গঠিত মোবাইল ফোর্স ২১টি, স্ট্রাইকিং ফোর্স ১২টি, র্যাবের ১২টি টিম ও ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাঠে থাকার কথাও রয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১১ মার্চ সিলেট ৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে আসনটি শূন্য হয়।
তফসিল অনুযায়ী গত ২৮ জুলাই এই আসনের উপ-নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এর দুইদিন আগে ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করেন উচ্চ আদালত।
পরবর্তীকালে নির্বাচন কমিশন ৪ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করেন।




