সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছয়চিরি পুরাকীর্তি: দধি বামন বিগ্রহ মন্দির।। দীপংকর শীল



চিত্র: দধি বামন বিগ্রহ মন্দির

বাংলাদেশের পুরাকীর্তি ও স্থাপত্যসংস্কৃতির প্রাচীনতম নিদর্শন হচ্ছে মন্দিরস্থাপত্য। গ্রামে-গঞ্জে অনেক প্রাচীন মন্দির রয়েছে যার সাথে জড়িয়ে রয়েছে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ইতিহাস। মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ছয়চিরি পরগণায় অবস্থিত দধি বামন বিগ্রহ মন্দির তেমনি একটি প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শন। রাজা ধর্মনারায়ণ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরটি ছয়চিরি পরগণার প্রাচীনতম মন্দির বলে স্থানীয়ভাবে স্বীকৃত। মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকে রাজার বংশধরগণ অদ্যাবধি এখানে দধি বামন বিগ্রহের সেবাপূজা করে আসছেন।

রাজা ধর্মনারায়ণের বংশধর সতীশচন্দ্র রায় চৌধুরীর বর্ণনানুযায়ী মোগলদের হাতে পরাভূত ও বিতাড়িত পাঠান সর্দার ওসমান খাঁ দিল্লির সম্রা‌টের নিকট আত্মসমর্পণ না করে বিদ্রোহী অবস্থায় নানা স্থানে অতর্কিত আক্রমণ ও লুণ্ঠনে লিপ্ত হন। এই সময়ে তিনি শ্রীহট্ট, তরপ ও রাজনগরে হঠাৎ আক্রমণ করেন। ক্রমান্বয়ে দুইদিন রাজা সুবিদনারায়ণের সাথে ওসমান খাঁর যুদ্ধ হয়।১ এই যুদ্ধে রাজা সুবিদনারায়ণ নিহত হন এবং ইটারাজ্যের পতন ঘটে। রাজা নিহত হলে তাঁর সহোদরগণ প্রাণরক্ষার্থে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়েন। রাজভ্রাতা ধর্মনারায়ণ রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে জঙ্গলাকীর্ণ নির্জন ও নিরাপদ স্থানে চলে আসেন। তিনি প্রথমত অবস্থান করেন বর্ষিজোড়া, দ্বিতীয়ত ছত্রকোট বা ছয়কোট; পরে স্থায়ীভাবে বর্তমান ছয়চিরি দিঘি খনন ও রাজবাড়ি নির্মাণ করেন এবং গ্রামের নাম রাখেন বিষ্ণুপুর। তিনি যেখানে যেখানে অবস্থান করেছিলেন সেখানে স্মৃতিচিহ্ন আজও দৃশ্যমান।

বিষ্ণুপুর ছয়চিরি দিঘি খননকালে দধি বামন ও বাসুদেব বিগ্রহ দুটি পাওয়া যায়। এ সম্পর্কে ‘শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থে অচ্যুতচরণ চৌধুরী তত্ত্বনিধি লিখেন, “দীঘী খনন কালে যে দুই বিগ্রহ প্রাপ্ত হওয়া গিয়াছিল, তাহাতে সেই স্থানের বহু প্রাচীনত্বই প্রমাণিত হয়। খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দীতে “জঙ্গলাকীর্ণ সেই স্থানে” বিষ্ণুপুর গ্রাম, তাহার বহুপূর্ব্বে সেই স্থানে লোক বসতি ছিল, পরে সেই প্রাচীন জনবসতি পরিত্যক্ত হওয়ায় জঙ্গল পরিপূরিত হইয়া পড়িয়াছিল, অনুমান করা যাইতে পারে।”২ বিগ্রহ প্রাপ্তি সম্পর্কে অনেক লোককথা প্রচলিত আছে। এই দুই বিগ্রহ যথাযোগ্য প্রক্রিয়ায় রাজ বাড়িতে স্থাপন করে নিত্য সেবাপূজা চলতে থাকে। বিগ্রহকে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠার জন্য ‘দধি বামন বিগ্রহ মন্দির’ নির্মিত হয়।

মন্দিরটি মধ্যযুগীয় বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য নিদর্শন। এটি ইট ও চুন-সুরকি নির্মিত দ্বিতল কাঠামোবিশিষ্ট মন্দির। স্থানীয় বাংলা নির্মাণরীতির সঙ্গে সুলতানি যুগের প্রভাব রয়েছে। মন্দিরের ছাদ বাংলার দুচালা বাঁকানো কুঁড়েঘর ছাদরীতির স্মারক। বহির্ভাগে অলংকরণ অত্যন্ত সংযত। দেওয়ালে অন্ধ-খিলান ও সরল প্যানেল ছাড়া টেরাকোটা অলংকরণের অনুপস্থিতি মন্দিরটিকে লোকায়ত ও গ্রামীণ চরিত্রের একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপত্যশিল্প হিসেবে নির্দেশ করা যায়। পাথরের পরিবর্তে ইটের ব্যবহার এবং চুন-সুরকির প্রলেপ বাংলার প্রাক-মোগল স্থাপত্যধারার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। সতীশ চন্দ্র রায় চৌধুরী তাঁর গ্রন্থে লিখেছেন, “ঐ মন্দিরটি এত মজবুত যে গত তিনবারের অগ্নিদাহে ও দুইবারের ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পেও ইহার কোনো ক্ষতি করিতে পারে নাই।”

শ্রী শ্রী বাসুদেব বিগ্রহ
                                                                 ছবি: সতীশচন্দ্র রায়চৌধুরীর ‘শ্রীহট্টের রাজনগর ও বৈদিক সম্প্রদায়ের ইতিহাস’ গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত।

দ্বিতল বিশিষ্ট এই মন্দিরে দধি বামন বিগ্রহের নিত্য সেবার্চনা হয়। শ্রীসতীশচন্দ্র রায়চৌধুরী তাঁর ‘শ্রীহট্টের রাজনগর ও বৈদিক সম্প্রদায়ের ইতিহাস’ গ্রন্থে দধি বামন ও বাসুদেব বিগ্রহের পরিচিতি সম্পর্কে বলেছেন, “শ্রীশ্রী দধিবামন” অতি ক্ষুদ্র গাঢ় কাল, অনধিক এক দেড় তোলা ওজনের সরু গহ্বরবিশিষ্ট, অতি মসৃণ ও তাম্রাভ সুলক্ষণযুক্ত সুন্দর শালগ্রাম চক্র। পরন্তু “শ্রীশ্রী বাসুদেব বিগ্রহ” ৪-১/৪ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ৩-১/৪ ইঞ্চি প্রস্থবিশিষ্ট পাতলা বাদামি রঙের সুন্দর এক পাথরখণ্ডে এক মঠেপরি অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কতক দেবদেবী-সম্বন্বিত কেন্দ্রস্থলে পদ্মাসনস্থ দ্বিভুজ গোলকধামাধিপতি শ্রীশ্রী বাসুদেব (২ ইঞ্চি x ১ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যে প্রস্থে) বিগ্রহ বিরাজমান। তাঁহার মস্তকের পশ্চাতোপরি ক্ষুদ্রাদপি ক্ষুদ্র “মঠ চক্র” ও মস্তকের দক্ষিণে ও বাম পার্শ্বে খোদিত “হংসদ্বয়” এবং তৎসংলগ্ন অন্যান্য কারুকার্য শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্যের অন্যতম নিদর্শন বলিয়া অনুমিত। ইহা বৌদ্ধযুগের ভাস্কর্যানুরূপ বলিয়া কেহ কেহ ইঁহাকে বৌদ্ধ বিহার বলিয়াও মনে করেন।” প‌রিতা‌পের বিষয় যে, দধিবামনের মূল মূর্তিটি চুরি হয়ে গে‌ছে। বর্তমানে সেখানে তার একটি প্রতিরূপ মূর্তি স্থাপন করে পূজার্চনা করা হচ্ছে।

চিত্র: কুরসি

দধি বামন বিগ্রহ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাকাল সম্পর্কে নির্দিষ্ট ও প্রামাণ্য তথ্যের অভাব লক্ষ করা যায়। মন্দিরটি দুইবার সংস্কার করা হয়েছে। প্রথমবার সংস্কার হয় ১২৯১ বাংলা (১৮৮৪ খ্রি.)। এর ১১১ বছর পর, অর্থাৎ ১৪০২ বাংলায় (১৯৯৫ খ্রি.) দ্বিতীয়বার সংস্কার করা হয়। দ্বিতীয়বার সংস্কারের সময় মন্দিরগাত্রে প্রতিষ্ঠার সাল লেখা হয়েছে ১৫৯০-৯১ খ্রিষ্টাব্দ। সংস্কারকালীন এই তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও লিপিটির উৎকীর্ণকাল আধুনিক হওয়ায় তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এখনো যাচাইসাপেক্ষ।


চিত্রে প্রত্ন‌লি‌পির পাঠ:
“শ্রী শ্রী দধি বামন বিগ্রহ মন্দির
প্রতিষ্ঠাতাঃ ধর্মনারায়ণ রায় চৌধুরী
স্থাপিতঃ ১৫৯০-৯১ ইং”

অতীতে প‌ণ্ডিতগণ রাজা সুবিদ নারায়ণের সময়কাল নির্ণয়ের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সাল-তারিখ নির্ণয়ে কেউই একমত হতে পারেননি। অচ্যুতচরণ চৌধুরীর মতে, “রাজা সুবিদনারায়ণকে আকবর বাদশাহের পরবর্ত্তী বিবেচনা করিবার কিছুমাত্র কারণ দৃষ্ট হয়না।”৩ তাঁর মতে তিনি সম্রাট হুমায়ুনের সমসাময়িক ছিলেন। তিনি তাঁর মতের পক্ষে মজঃফর রচিত একটি কবিতাকে অন্যতম সহায়ক সূত্র হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

“সুবিদ নারাইনের পত্নী কমলা সুন্দরী।
তাহার গর্ভেতে জন্মে পুত্র জন চারি ॥
দৈবযোগের হেতু রাজ্যে অঘটন হৈল।
শের শাহে হুমাউনে বিবাদ চলিল ॥
সেইকালে সেনাপতি খোয়াজ উসমান।
বলবন্ত বুদ্ধিমন্ত লোহানী পাঠান ॥
সে আসিয়া রাজবাড়ী কৈল আক্রমণ।
যুদ্ধ করি সুবিদ রাজা ত্যাজিল জীবন ॥”

তিনি অন্যান্য যুক্তির সমালোচনা করে সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে রাজা সুবিদনারায়ণকে জাহাঙ্গীর বা আকবরের সমসাময়িক বলার ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। উল্লেখ্য যে, বাবরের রাজত্বকাল ১৫২৬ থেকে ১৫৩০, হুমায়ুনের রাজত্বকাল ১৫৩০ থেকে ১৫৪০, আকবরের রাজত্বকাল ১৫৫৬-১৬০৫, জাহাঙ্গীরের রাজত্বকাল ১৬০৫ থেকে ১৬২৭, শাহজাহানের রাজত্বকাল ১৬২৮ থেকে ১৬৫৮ খ্রিষ্টাব্দ।

অপরদিকে সতীশচন্দ্র রায় চৌধুরী অনুমান করেন মন্দিরটি ১৬২০ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হয়। আবার তিনিই অন্যত্র উল্লেখ করেছেন, “রাজার (ধর্মনারায়ণ) একমাত্র পুত্র মাধবনারায়ণ তাঁহার পিতার ন্যায় ধার্মিক, অমায়িক ও তীক্ষ্ণধীসম্পন্ন ক্ষমতাশালী ব্যক্তি ছিলেন। কথিত আছে যে, তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীর বাদশাহের রাজত্বকালে “চৌধুরাই” সনন্দ প্রাপ্ত হইয়া ছয়চিরি পরগণার স্থানীয় শাসন কর্তৃত্ব লাভ করেন। তিনি তাঁহার স্বর্গত পিতার স্মৃতি রক্ষার্থে নিজ গ্রাম বিষ্ণুপুরের দক্ষিণে গড়জাঙ্গালের দক্ষিণ স্থানে ‘ধর্মপুর’ নামে এক মৌজা পত্তন করেন। ইহা অধ্যাপি বর্তমান থাকিয়া সেই স্মৃতি বহন করিতেছে। দুর্ভাগ্যবশত বাড়ি দগ্ধ হওয়ার সময় তাহার চৌধুরাই সনন্দখানি ভস্মীভূত হইয়াছে।” মাধবনারায়ণের সনন্দ প্রাপ্তি সম্পর্কে অচ্যুতচরণ চৌধুরী বলেন, “তিনি সম্রাট শাহজাহান হইতে ছয় ছিরি পরগণার চৌধুরাই সনন্দ প্রাপ্ত হন।” মন্দিরটি যেহেতু ইটারাজ্যের পতনের পর নির্মিত সেহেতু ইটারাজ্যের পতনের সঠিক তারিখ নির্ধারণ হওয়াটাই জরুরি। কিন্তু এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রমাণ সহজলভ্য নয়। মোহাম্মদ আশরাফ হোসেনের মতে, রাজা সুবিদনারায়ণের জন্ম ১৫৩০ খ্রিষ্টাব্দ, তিনি ১৫৮০ খ্রিষ্টাব্দে রাজা হন এবং ১৫৯৮ খ্রিষ্টাব্দে খাজা ওসমানের সাথে যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত হন।৪


চিত্রে প্রত্ন‌লি‌পির পাঠ:
“১ম সংস্কারঃ- ১২৯১ বাংলা
সংস্কারকঃ- গুরু প্রসাদ রায় চৌধুরী
২য় সংস্কারঃ-১৪০২ বাংলা”

দধি বামন বিগ্রহ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাকাল সম্পর্কে ষ্পষ্ট দুটি তথ্য বর্তমান- তা যথাক্রমে: ১) ১৫৯০-৯১; ২) ১৬২০। কিন্তু কোনো মতই প্রত্যক্ষ ও প্রামাণ্য দলিল দ্বারা নিশ্চিত নয়। মন্দিরগাত্রে উৎকীর্ণ ১৫৯০-৯১ খ্রিষ্টাব্দ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতা‌ত্ত্বিক ইঙ্গিত। তবে লিপিটি দ্বিতীয়বার সংস্কারকালে উৎকীর্ণ হয়েছে। অপরদিকে সতীশচন্দ্র রায়চৌধুরী মন্দিরটির নির্মাণকাল ১৬২০ খ্রিষ্টাব্দে অনুমান করলেও উক্ত মতের পক্ষে কোনো সমকালীন দলিল বা নির্ভরযোগ্য প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায় না। ধর্মনারায়ণের পুত্র মাধবনারায়ণের চৌধুরাই সনদ প্রাপ্তি বিষয়ে জাহাঙ্গীর ও শাহজাহান উভয় মোগল সম্রা‌টের শাসনকালকে নির্দেশ করে; কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন মত প্রচলিত থাকায় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। মন্দিরটি ইটারাজ্যের পতনের পর নির্মিত। এ বিষয়ে ঐকমত্য থাকলেও উক্ত পতনের সাল ১৫৯৮ না ১৬১০ এই বিতর্ক অমীমাংসিত। অথচ স্থাপত্যশৈলীর দিকে থেকে মন্দিরটি মন্দির-স্থাপত্যের চতুর্থ প্রজন্মের চালা-মন্দির পর্যায়ের। এই স্থাপত্যশৈলীবিশিষ্ট মন্দিরের আবির্ভাব ষোড়শ শতাব্দীর দ্বিতীয় ভাগেই লক্ষ করা যায়। যেমন: ১৫৮২ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হুগলি জেলার বৈচিগ্রামে গোপালজিউর পরিত্যক্ত দেউল, যশোহরের রায়নগরে ১৫৯৮ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত দেউল, মুর্শিদাবাদ জেলার গোকর্ণের ১৫৯০ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত চালামন্দির এবং বর্ধমানের বৈদ্যপুরের ১৫৯৮ খ্রিষ্টাব্দের নির্মিত মন্দির।৫ তাই মন্দিরগাত্রের উল্লিখিত প্রতিষ্ঠাসাল নির্ভরযোগ্য বলেই মনে হয়। এই প্রামাণ্য স্থাপত্যকলার সূত্র ধরে গবেষণা করলে স্থানীয় ইতিহাসের অনেক রহস্য উদ্ঘাটন সম্ভব।

তথ্যসূত্র:
১. শ্রীসতীশচন্দ্র রায়চৌধুরী, শ্রীহট্টের রাজনগর ও বৈদিক সম্প্রদায়ের ইতিহাস, প্রকাশক: শ্রীসুধীন্দ্র নারায়ণ রায়চৌধুরী, এন ৮ এ ১৮ বিধান শিশু সরণি, বিধান নিবাস, কলকাতা-৭০০০৫৪, প্রকাশ কাল: ২০০৭, পৃ. ৬১
২. অচ্যুতচরণ চৌধুরী তত্ত্বনিধি, শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত (উত্তরাংশ) তৃতীয় ভাগ, তৃতীয় খণ্ড, প্রথম অধ্যায়, উৎস প্রকাশন, তৃতীয় মুদ্রণ ২০১৭, পৃ. ২২১
৩. অচ্যুতচরণ চৌধুরী তত্ত্বনিধি, শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত (পূর্বাংশ), দ্বিতীয় ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড, অষ্টম অধ্যায়, উৎস, ২০০২, পৃ. ১১০
৪. মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন, শিলহটের ইতিহাস, উৎস, ২য় সংস্করণ, ২০১৯, পৃ. ২৭৬।
৫. প্রণব রায়, বাংলার মন্দির : স্থাপত্য ও ভাস্কর্য, পূর্বাদ্রি প্রকাশনী, তমলুক, মেদিনীপুর, প্রথম প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারি ১৯৯৯, পৃ. ৪৫।
৬. রাজা সুবিদনারায়ণ ও রাজা ধর্মনারায়ণের বংশধর শ্রদ্ধেয় অসমঞ্জু প্রসাদ রায় চৌধুরী মহাশয়ের নিকট প্রবন্ধ রচনায় প্রয়োজনীয় মূল্যবান তথ্য ও সহায়তা প্রাপ্ত হওয়ায় তাঁর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

লেখক: প্রভাষক, বাংলা বিভাগ, কমলগঞ্জ সরকা‌রি গণমহা‌বিদ‌্যালয়, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।

শেয়ার করুন:

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

error: Content is protected !!