
ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ লেবাননের নয়টি গ্রামের বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর ঘাঁটি ও অবস্থান লক্ষ্য করে ওইসব এলাকায় বিমান ও গোলাবর্ষণ অভিযান চালানো হবে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আরবি ভাষার মুখপাত্র আভিখাই আদরাই এক ঘোষণায় জানান, যেসব গ্রাম খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে আল-রিহান, জারজৌহ, কাফর রুম্মানে, আল-নেমিরিয়েহ, আরাবসালিম, জেমজিম, মাশঘারা, কালাইয়া ও হারুফ।
লেবাননের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, নাবাতিয়েহ অঞ্চলের ইউহমোর আল-শাকিফ, তুল ও শৌকিন এলাকায় অন্তত নয়টি হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া আবা এলাকাসহ আরও কয়েকটি স্থানে বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। এসব হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো তথ্য নিশ্চিত হয়নি।
অন্যদিকে, সারবিন ও ইয়াতের এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে দেশটিতে ইসরায়েলের ৮ হাজার ৫০০টির বেশি হামলায় নিহত হয়েছেন ২ হাজার ৮৪৬ জন। আহত হয়েছেন আরও ৮ হাজার ৬৯৩ জন। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।
এদিকে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, ইসরায়েলের ধারাবাহিক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাব হিসেবে তারা ড্রোন ও রকেট হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটির ভাষ্য, আল-তাইবেহ এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলা সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লেবানন সীমান্তসংলগ্ন মানারা এলাকায় ড্রোন বিস্ফোরণে তাদের এক সেনা নিহত হয়েছেন। গত ২ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সীমান্ত উত্তেজনায় নিহত ইসরায়েলি সেনার সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে।




