
ছবি :সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট -এর ‘ইসরায়েল তার কথামতো চলে’—এমন মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী । তিনি বলেছেন, ইসরায়েল কোনো দেশের নির্দেশে পরিচালিত হয় না; বরং নিজেদের জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেয়।
জেরুজালেম নিউজ সিন্ডিকেটের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে অনেকে মনে করেন ট্রাম্প আমার সব কথা শোনেন। আবার ইসরায়েলে কেউ কেউ বলেন, আমি ট্রাম্প যা চান তাই করি। বাস্তবে কোনোটিই সত্য নয়।”
তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—উভয়ই স্বাধীন ও গর্বিত রাষ্ট্র। আমরা নিজ নিজ দেশের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করি। অনেক বিষয়ে আমাদের মতের মিল রয়েছে, আবার কিছু বিষয়ে মতপার্থক্যও আছে। তবে আমরা একে অপরের সার্বভৌমত্ব, নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি অঙ্গীকারকে সম্মান করি।”
এর আগে শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, ইসরায়েলের ওপর তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। লেবাননে সম্ভাব্য নতুন হামলা ঠেকাতে পারবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, পারব। তারা আমাকে অনেক সম্মান করে এবং আমার কথামতোই চলে।”
ট্রাম্প আরও বলেন, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো হলেও তাকে মাঝে মাঝে সংযত রাখার প্রয়োজন হয়। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার সমর্থন ছাড়া ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হতো।
এদিকে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যে মতবিরোধের বিষয়টিও সামনে এসেছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যের সমালোচনা করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা উচিত নয়।
ভ্যান্স বলেন, আমি যদি ইসরায়েল সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হতাম, তাহলে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মিত্র দেশের প্রেসিডেন্টকে প্রকাশ্যে আক্রমণ করতাম না।



