বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Sex Cams

সিলামে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ



সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানাধীন সিলাম ইউনিয়নের মুক্তারপুর গ্রামে বাতির আলী (যুবক) নামে এক ব্যক্তিকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিলাম ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাতির আলী ওই গ্রামের মৃত ছৈদ মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে কয়েকজন যুবক বাতির আলীকে তার বাড়ি থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যায়। পরে তাকে মারধর করে মৃত ভেবে বাড়ির পাশের একটি স্থানে ফেলে রেখে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন নারী শব্দ শুনে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা সেখানে ছুটে যান।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় বাতির আলীকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে নিহতের ফুফু ও সিলাম ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সাবিনা আক্তার আসমা মোগলাবাজার থানা পুলিশকে বিষয়টি জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সাবিনা আক্তার আসমা দাবি করেন, বাতির আলীকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দাফন-কাফন সম্পন্ন করার পর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মোগলাবাজার থানা পুলিশ জানায়, সিলামের মুক্তারপুরে মারামারির ঘটনায় বাতির আলী নামে এক যুবকের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিবের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম বলেন, মারামারির ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যুর খবর পেয়ে মোগলাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরে ওসমানী হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন:

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

error: Content is protected !!