
সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার দেওয়ান বাজার ইউনিয়নে অসচ্ছল ও গৃহহীন পরিবারের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে ‘আব্দুল আজিজ মাসুক ফাউন্ডেশন’-এর মানবিক প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের ঘর নির্মাণকাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে।
ফাউন্ডেশনের ঘোষিত ৫টি অসহায় পরিবারের গৃহ নির্মাণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে ইব্রাহিমপুর গ্রামের শাহীন আলমের পাকা ঘরের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন এবং চাবি হস্তান্তর করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় এবার দ্বিতীয় পরিবার হিসেবে শিওরখাল (দক্ষিণপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা ছমছু উল্লাহর পুত্র, দুই কন্যা সন্তানের পিতা অসচ্ছল সবির আলীর পাকা ঘরের নির্মাণকাজ দ্রুত গতিতে দৃশ্যমান হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, অভিজ্ঞ রাজমিস্ত্রিদের তত্ত্বাবধানে সবির আলীর ঘরের ইট গাঁথুনি এবং কাঠামোগত নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ ও অনিরাপদ চালা থেকে মুক্তি পেয়ে একটি পাকা ঘরের দৃশ্য দেখতে পেয়ে সবির আলীর পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত।
উল্লেখ্য, দেওয়ান বাজার ইউনিয়নের জরাজীর্ণ ও ভাঙা ঘরে বসবাসকারী অসচ্ছল পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের লক্ষ্যে তথ্য চেয়ে বালাগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিক শাহ মো. হেলাল তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। পরবর্তীতে প্রাপ্ত আবেদনগুলোর মধ্য থেকে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত টিম (সাংবাদিক শাহ মো. হেলাল, সমাজকর্মী হাবিবুর রহমান ও আজমল হুসাইন) সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সবচেয়ে অসচ্ছল ৫টি পরিবারের একটি তালিকা প্রস্তুত করে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কাছে সুপারিশ আকারে পাঠান।
এ বিষয়ে আব্দুল আজিজ মাসুক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, সিলেট বিভাগ প্রবাসী পরিষদের সভাপতি, সিলেট পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাইরেক্টর ও দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সম্মানিত সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ মাসুক জানান, সবির আলীর ঘরের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরপরই পর্যায়ক্রমে তালিকায় থাকা বাকি ৩টি পরিবারের (সিরাজপুরের জাহাঙ্গীর আহমেদ, সুলতানপুর পশ্চিম পাড়ার দিলারা বেগম এবং চরআলাপুরের রোশনা বেগম) ঘরের কাজও অতি দ্রুত শুরু করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
গৃহ নির্বাচন টিমের প্রধান সাংবাদিক শাহ মো. হেলাল বলেন, “একটি পরিবারের মাথার ওপর নিরাপদ ছাদ নিশ্চিত করার চেয়ে বড় আত্মতৃপ্তি আর কিছু হতে পারে না। প্রথম ঘরের পর দ্বিতীয় ঘরটির কাজও যেভাবে এগিয়ে চলছে, তাতে আমরা আশাবাদী খুব দ্রুতই সবির আলীর পরিবারকে নবনির্মিত এই ঘরের চাবি তুলে দেওয়া সম্ভব হবে।



