শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২২ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বালাগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গণধর্ষণ



বালাগঞ্জ উপজেলার দেওয়ান বাজার ইউনিয়নের খায়রুন্নেছা দারুচ্ছুন্নাহ্ ইসলামিয়া আরাবিয়া মহিলা মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। ২২ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় তাকে নিজ ঘরের বারান্দা থেকে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়ির পাঁকা খড়ের ঘরে ধর্ষণ করা হয় বলে জানা গেছে। পরে মুমূর্ষ অবস্থায় ধর্ষণের শিকার এ মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার করে সিলেট এমএ জি ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এ ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত আব্দুল আহাদ ও আজই মিয়াসহ সহযোগীরা পলাতক রয়েছে। তাদেরকে প্রেপ্তারসহ মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণধর্ষণের শিকার হওয়া ঐ ছাত্রী পার্শ্ববর্তী তার চাচার ঘর থেকে নিজ ঘরে আসার সময় স্থানীয় শিওরখাল গ্রামের আব্দুল করিম তালুকদারের ছেলে চিহ্নিত দুস্কৃতকারী বখাটে আব্দুল আহাদ, স্থানীয় ইউপি সদস্য আইয়ব উল্লার ছেলে আজই মিয়াসহ কয়েকজন ঐ ছাত্রীকে ঘরের বারান্দা থেকে জোরপূর্বক ধরে পার্শ্ববর্তী বাড়ির পাঁকা খড়ের ঘরে নিয়ে যায়। পরে ওইখানে নিয়ে চেতনানাশক কিছু খাইয়ে ওই ছাত্রীকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে আহাদ ও আজইসহ কয়েকজন। পরবর্তীতে তারা ঐ ছাত্রীকে সেখানে রেখে পালিয়ে যায় বলে পুলিশের কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, ওই ছাত্রীর পরিবারের লোকজন। ধর্ষণের মূল হোতা আব্দুল আহাদ ও আজইসহ সহযোগীদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী মো. আতাউর রহমান।

এদিকে দেওয়ান বাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির খসরু ন্যাক্কারজনক এ ধর্ষণের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহবান জানান। এছাড়া এলাকাবাসী অবিলম্বে অভিযুক্ত আসামীদের ধরে বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির জোরদাবি জানান। পাশাপাশি এলাকার প্রবাসীবৃন্দ এ ধর্ষণের ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এবং এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় বইছে।

শেয়ার করুন:

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

error: Content is protected !!