শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৮ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বালাগঞ্জ-ওসমানীনগরে প্রায় ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদ: বাম্পার ফলনে কৃষকরা মহাখুশি



বালাগঞ্জ- ওসমানীনগরে মাঠের পর মাঠ জুড়ে সোনালি ধানের হাসির ঝিলিক। পাকা ফসলের দিকে তাকালে যে কারোরই মন জুড়িয়ে যায়। কৃষক-কৃষানি প্রত্যাশিত ফলন দেখে মহাখুশি। তারা আশাবাদী বাম্পার ফলন উঠবে তাদের ঘরে।

সরেজমিন পরিদর্শনকালে, বালাগঞ্জ-ওসমানীনগরের বিভিন্নস্থানের গত কয়েকদিন ধরে দু’উপজেলার বিভিন্নস্থানে উৎসবমুখর পরিবেশে ধান কাটার দৃশ্য লক্ষা করা গেছে।
সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলছে ধান কাটা। আর সন্ধ্যা থেকে চলছে মাড়াই। ইতিমধ্যেই শুরু হওয়া ধান কাটা পুরো ডিসেম্বর মাস পর্যন্তচলবে। কোথাও ধান কাটা শুরু হয়েছে, কোথাও মাড়াই চলছে। আবার কোথাও চলছে সংগ্রহের কাজ। সবমিলিয়ে কৃষক-কৃষানিরা সোনালি ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্তসময় কাটাচ্ছেন। সবমিলিয়ে শীতের হালকা আমেজে উৎসবমুখর পরিবেশে বিরাজ করছে সর্বত্র।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়, বালাগঞ্জ-ওসমানী নগরে সব জাতের মিলে এবার ১৫হাজার, ৮শ ৩০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। উভয় উপজেলায় আবাদকৃত জমিতে ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬৫হাজার ৭শ ১৫ মেট্রিকটন।

বালাগঞ্জে আবাদ হয়েছে ৭হাজার ৫শ ৮০ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩০হাজার ২শ’ ৬৫ হেক্টর। এবং ওসমানীনগরে আবাদ হয়েছে ৮হাজার ২শ ৫০ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ৩৫ হাজার ৪শ ৫০মেট্রিকটন।
আলাপকালে আলাপুর গ্রামের কৃষাণ মবশ্বির আলী আনা, বড়জমাত গ্রামের আব্দুল মালিক, কদম তলা গ্রামের সাজন মিয়া, শিওরখাল গ্রামের হাজী সেলিম আহমদ ছলিম, রজাক আলী, বরকতপুর গ্রামের শরীফ আহমদসহ কয়েকজন ‘আল্লাহর শুকরিয়া জানিয়ে বলেন, এবার জমিতে ফলন বেশ ভাল হয়েছে। আমরা ফসল দেখে খুবই খুশি।

বালাগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. সুমন মিয়া বলেন, বালাগঞ্জ- ওসমানীনগরে বাষ্পার ফলন হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৪০ভাগ ধান কর্তন হয়েছে । গতবারের চেয়ে চলতি বছরে আমন ধানের ফলন ভাল হয়েছে। আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি না হলেও প্রায় কাচাকাচি অর্জিত হয়েছে।

শেয়ার করুন:

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

error: Content is protected !!