মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

অ্যান্টিগা টেস্ট: হার দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের



ছবি: এএফপি

অ্যান্টিগা টেস্টের তৃতীয় দিন শেষেই আসলে ম্যাচের ‘ফল নিষ্পত্তি’ হয়ে গিয়েছিল। অপেক্ষা ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতার। সেটি ওয়েস্ট ইন্ডিজ করে ফেললো মাত্র আধাঘণ্টায়, ৭ ওভারেই। ব্যাটিং বিপর্যয়ে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের হার ৭ উইকেটে। চতুর্থ দিনের সকালে জিততে ৩৫ রান দরকার ছিল ক্যারিবিয়ানদের। জন ক্যাম্পবেল ও জার্মেইন ব্ল্যাকউড কোনও বিপদ ছাড়াই লক্ষ্যটা টপকে যান। ফলে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো স্বাগতিকরা।

টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় দ্বিতীয় ইনিংসেও পথ হারিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে লোয়ার মিডল অর্ডারে সাকিব আল হাসান ও নুরুল হাসান সোহানের জুটিতে লিড নেয় সফরকারীরা। যদিও নতুন বল নেওয়ার পর আবার এলোমেলো। দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট ২৪৫ রানে। তাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দেয় ৮৪ রানের টার্গেট।

তখনই আসলে জয়ের সব আশা শেষ বাংলাদেশের। তবে হাল ছাড়েনি। বিশেষ করে, শুরুতেই খালেদ যেভাবে আগুন ছড়ান বোলিংয়ে, নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে বাংলাদেশ। ক্যারিবিয়ানরা ৯ রানে হারায় ৩ উইকেট। কিন্তু আফসোস, স্কোরে বেশি রান নেই স্বাগতিকদের! স্বপ্ন ফিকে হতে থাকে দিনের আলো শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে। ক্যাম্পবেল ও ব্ল্যাকউড মিলে বিপদ বাড়তে দেননি। ফলে জয় থেকে মাত্র ৩৫ রান দূরে থাকতে শেষ করে তৃতীয় দিনের খেলা।

চতুর্থ ‍দিনে ক্যারিবিয়ানরা কত দ্রুত জয় নিশ্চিত করে, সেটিই ছিল দেখার। অন্যদিকে অলৌকিক কিছুর আশায় থাকে বাংলাদেশ। কিন্তু অবিশ্বাস্য কিছু করতে দেখাতে পারেননি বাংলাদেশের পেসাররা। চতুর্থ দিন শুরু হতে হতেই শেষ! মাত্র ৭ ওভারে জয় নিশ্চিত করে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১০৩

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস: ২৬৫

বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ২৪৫

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ৮৪, আগের দিন ৪৯/৩) ২২ ওভারে ৮৮/৩ (ক্যাম্পবেল ৫৮*, ব্ল্যাকউড ২৬*, মুস্তাফিজ ৪-১-৭-০, খালেদ ৮-০-২৭-৩, মিরাজ ৩-২-১০-০, ইবাদত ৪-০-৩০-০, সাকিব ২-০-৩-০, শান্ত ১-০-১০-০)।

ফল: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭ উইকেটে জয়ী।

সিরিজ: ২ ম্যাচ সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১-০তে এগিয়ে।

ম্যান অব দা ম্যাচ: কেমার রোচ।

শেয়ার করুন:

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

error: Content is protected !!