বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্কুলছাত্রী সুমাইয়া হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে লণ্ডনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত



সিলেটের বালাগঞ্জে দিনের আলোতে দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত স্কুলছাত্রী সুমাইয়া হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে লণ্ডনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পূর্ব লণ্ডনের মাইক্রো বিজনেস সেন্টারে জাস্টিস ফর সুমাইয়া ক্যাম্পেইন কমিটি, যুক্তরাজ্য এর উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্যাম্পেইন কমিটির আহবায়ক কামরুল আহমদ শুকুর।

সংগঠনের সদস্য সচিব লেখক ও সমাজকর্মী মিজানুর রহমান মীরুর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রবাসী বালাগঞ্জ ওসমানীনগর উপজেলা সমিতির সভাপতি সফিক উল্লাহ মিসলু, প্রবাসী বালাগঞ্জ ওসমানীনগর এডুকেশন ট্রাস্টের সভাপতি বদরুল ইসলাম, টাওয়ার হ‍্যমলেটস কাউন্সিলের সাবেক লিডার হেলাল উদ্দিন আব্বাস, মানবাধিকার কর্মী আকলিমা বিবি, আমিনা আলী, অজন্তা দেবরায়, আনহার মিয়া (সাবেক সভাপতি- বালাগঞ্জ ওসমানীনগর এডুকেশন ট্রাস্ট), এম এ গফুর (সাবেক সভাপতি- বালাগঞ্জ ওসমানীনগর উপজেলা সমিতি), অধ্যাপক মাসুদ আহমেদ (সাবেক সভাপতি- বালাগঞ্জ ওসমানীনগর উপজেলা সমিতি), সাবেক কাউন্সিলর রফিক উল্লাহ, নেসার আলী সামসু (সাবেক সভাপতি- বালাগঞ্জ ওসমানীনগর উপজেলা সমিতি), মশিউর রহমান মসনু (সাবেক সাধারণ সম্পাদক- বালাগঞ্জ ওসমানীনগর উপজেলা সমিতি), মোহাম্মদ সাদ মিয়া (সাবেক সাধারণ সম্পাদক- বালাগঞ্জ ওসমানীনগর এডুকেশন ট্রাস্ট), হারুনুর রশিদ (সাবেক সাধারণ সম্পাদক- বালাগঞ্জ ওসমানীনগর উপজেলা সমিতি), এম এ কাইয়ূম (সাবেক সাধারণ সম্পাদক- বালাগঞ্জ ওসমানীনগর উপজেলা সমিতি), সৈয়দ তাজির উদ্দিন মান্নান (সাবেক সাধারণ সম্পাদক- বালাগঞ্জ ওসমানীনগর এডুকেশন ট্রাস্ট), এম এ কুদ্দুস (সাধারণ সম্পাদক- বালাগঞ্জ ওসমানীনগর উপজেলা সমিতি), রশিদ আহমদ (সাবেক সাধারণ সম্পাদক- বালাগঞ্জ ওসমানীনগর উপজেলা সমিতি), আতাউর রহমান মানিক (সাবেক চেয়ারম্যান, গোয়ালা বাজার ইউপি), আব্দুল হাকিম জিলু (ট্রেজারার- বালাগঞ্জ ওসমানীনগর উপজেলা সমিতি), হাজী মাহমুদ আলী, ফারুক আহমেদ, আব্দুল কুদ্দুস শেখ, তোফায়েল আহমদ তোফা, এম এ হান্নান, আবু বকর সিদ্দিক, আবুল কালাম শেখ, শহীদ আবুল কালাম সেতু, শেখ নুরুল ইসলাম জিতু, মোতাহের আলী সোহেল, আতাউর রহমান আতা, মো. সাজ্জাদ মিয়া, আজাদুর রহমান আজাদ, আনহার আলী ইয়াকুব, শামীম উদ্দিন, সারজন খান, ফয়জুর রহমান ফয়েজ, শাহজাহান আলম, বাবুল খান, ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির কোষাধ্যক্ষ সালেহ আহমদ, সেলিম আহমদ লুদু, লেখক ও কলামিস্ট নূর মনি, ছহুল এ মুনিম, রুহেল আহমদ, লুৎফুর মিয়া, আব্দুল মতিন তালুকদার, সাইদুল আলম চৌধুরী, সাহাবুদ্দিন শাবুল, জে আর সোহেল, সিরাজুল ইসলাম মামুন, আলাউর রহমান শাহিন, এম এ আজিজ, সয়ফুল আলম হেলাল, তহুর আলী, এম খান মানিক, মতিউর রহমান শাহিন, আহবাবুর রহমান মিরন, সাহেল তপাদার, শেখ জাহাঙ্গীর আলম, এডভোকেট সুশীল দাস, আব্দুর রহমান, আবুল কালাম, আসক আলি, শেখ খালেদ আহমদ মিনহাজ, সাজ্জাদুর রহমান, মো: আলী হোসেন, কামরুল হাসান, মিসবাউর রহমান দুলন, সানা মিয়া, এনাম চৌধুরী, মাহফুজ আহমদ মুন্না, ফারুক মিয়া, শামীম উদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া, সুহান আহমদ সহ আরও অনেকে। সভায় বক্তারা বলেন, সুমাইয়া হত্যাকাণ্ডের একমাস অতিবাহিত হওয়ার পরও আসামি শনাক্তকরণ, গ্রেফতার, সাক্ষ্য প্রমাণ জোগাড় এবং আসামিদের স্বীকারোক্তি আদায় না করতে পারাসহ মামলার বিভিন্ন বিষয়ে পুলিশের ভুমিকা রহস্যজনক। বক্তারা দরিদ্র পরিবারের সন্তান সুমাইয়া হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিয়ে তাদের শঙ্কা ও উদ্বেগের কথা তুলে ধরে বলেন, পুলিশ যাদেরকে গ্রেফতার করেছে তারা ধনী ও প্রভাবশালী। দিনের আলোতে সংঘটিত হত্যা মামলাটি যাতে প্রভাবশালীরা ভিন্ন খাতে নিয়ে যেতে না পারে, সে চেষ্টা তারা করে যাচ্ছেন। জাস্টিস ফর সুমাইয়া ক্যাম্পেইন কমিটির নেতৃবৃন্দ এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন এবং সুমাইয়া পরিবারের পাশে থাকবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।উল্লেখ্য, গত ২২ মার্চ সকালে বালাগঞ্জ উপজেলার বেয়ালজুড় ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের স্কুল ছাত্রী সুমাইয়া বেগম স্কুলে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হয়। ঐদিন বিকালে বালাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল বোয়ালজুড় ইউনিয়নের পেকুয়া ব্রিজ এর কাছাকাছি একটি খাল থেকে সুমাইয়ার লাশ উদ্ধার করে। সুমাইয়ার ভাই ইসকন্দর মিয়া বাদী হয়ে বালাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, মামলার নম্বর ০৬।

শেয়ার করুন:

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

error: Content is protected !!